প্রাথমিক শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

ফেসবুকসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মহিউদ্দীন আহমেদ তালুকদারের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

অফিস আদেশে বলা হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা ২০১৯ এর পরিমার্জিত সংস্করণ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীদের করণীয়-বর্জনীয় নির্ধারণ করা ও এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, নির্দেশিকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাপ্তরিক ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট তৈরি করা এবং এতে পরিহারযোগ্য বিষয় উল্লেখ রয়েছে। সে নির্দেশনার আলোকে এসব বিষয় অনুসরণ করার জন্য বলা হলো।

যেসব নির্দেশনা মানতে হবে

১. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনও পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, মন্তব্য, লাইক ও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

২. জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী কোনও তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।

৩. কোনও সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন বা ধর্মনিরপেক্ষতা নীতিপরিপন্থী তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা যাবে না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে এমন পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, মন্তব্য, লাইক, শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে।

৪. জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনও সার্ভিসকে হেয়-প্রতিপন্ন করে এমন পোস্ট দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে।

৫. লিঙ্গ বৈষম্য বা এসংক্রান্ত বিতর্কমূলক তথ্য-উপাত্তও প্রচার করা যাবে না।

৬. জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে- এমন বিষয়ে লেখা, অডিও বা ভিডিও প্রকাশ বা শেয়ার করা যাবে না।

৭. ভিত্তিহীন, অসত্য বা অশ্লীল তথ্য প্রচার থেকেও বিরত থাকতে হবে।

৮. অন্য কোনও রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য সম্বলিত পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, মন্তব্য, লাইক, শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *