ইউরিক অ্যাসিড মোকাবিলায় যা খাবেন না

আজকাল অনেকেই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় ভুগছেন। শরীরে অত্যধিক পরিমাণে ইউরিক অ্যাসিড থাকলে হাইপারউরিসেমিয়া নামক একটি রোগ হতে পারে। এই রোগের কারণে বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়; তার মধ্যে একটি গেঁটেবাত। এটি বাতের ধরন, যা খুবই কষ্টকর৷ এ ছাড়া ইউরিক অ্যাসিডের ক্রিস্টালগুলো কিডনিতে একত্রিত হলে কিডনিতে পাথর বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা হতে থাকে।

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রথম ধাপ হল খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরে উপস্থিত পিউরিন, কিছু খাবারেও পাওয়া যেতে পারে। তাই, পিউরিনের কম ব্যবহার রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের সঠিক মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।

আরেকটি খাদ্য উপাদান যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়াতে পারে তা হল ফ্রুক্টোজ। এটি একটি প্রাকৃতিক চিনি যা বিভিন্ন ফল ও সবজিতে পাওয়া যায়। কিছু খাবারে ফ্রুক্টোজের উপস্থিতি প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি স্বাদ দেয়।

আরও কিছু খাবার আছে; যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন—

গেঁটে বাত থাকলে বেশ কয়েক প্রকার ডাল ও বিনস খাবেন না। যেমন- দেশি ছোলা, কুলথী বা হর্স গ্রাম, রাজমা, কাবুলি ছোলা ইত্যাদি নিজের খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। এই খাদ্যদ্রব্যগুলো শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
যারা হাই ইউরিক এসিডে ভুগছেন তারা রেড মিট এড়িয়ে চলুন।

দই, ভিনেগার, ঘোল, মদ্যপানও এড়িয়ে চলুন। দইয়ে উপস্থিত ট্রান্স ফ্যাট শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই দই বা দইজাতীয় কোনো খাবার না-খাওয়াই ভালো।
মিষ্টি খাবার একেবারেই বাদ দিতে হবে খাদ্যতালিকা থেকে। সেইসঙ্গে সব ধরনের কোমল পানীয় খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কোমল পানীয়তে উপস্থিত ফ্রুক্টোজ পিউরিনের মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে। সেইসঙ্গে মিষ্টি খাবার ওজন বৃদ্ধি করে। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়।
সামুদ্রিক খাবার, বিশেষ করে শেলফিশ যেমন-চিংড়ি, গলদা চিংড়ি, ঝিনুক, অ্যাঙ্কোভিস এবং সার্ডিন মাছ এড়িয়ে চলুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.